Friday, February 28, 2025

কবিতা: মায়াবী প্রকৃতি

   প্রকৃতি তুমি কি জানো 

      তোমার সুন্দর হাসি 

 করে আমায় আকুল।  

 তোমার বাতাশে 

 করেছো আমায় পাগল। 

এত সুন্দর মায়া

 ছড়িয়ে দিয়েছো, 

    সবার মাঝে।

প্রকৃতি তুমি এত নিরব কেন?

তুমি জানো কতটা মুগ্ধ আমি। 

যখনি মন ভারাক্লান্ত। 

তখনি ছুড়ে আসি তোমারী কাছে,

আমার দু:খ ভরা হৃদয়টা 

যখনি ব্যাকুল হয়ে 

  একাকার হয়ে যায় 

তখনি তুমি মায়াবী মত 

এসে আমায় শান্ত করো, 

তোমার মাঝে পেয়েছি 

সুখের সন্ধানে, 

তোমার মাঝে যেন  

  মরতে পারি। 



Monday, February 24, 2025

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক বলে খ্যাত ফ্রেডরিক উইন্সলো টেইলর

 


ফ্রেডরিক উইন্সলো টেইলর (ইংরেজি: Frederick Winslow Taylor; জন্ম: ২০ মার্চ, ১৮৫৬ - মৃত্যু: ২১ মার্চ, ১৯১৫) একজন মার্কিন যন্ত্র প্রকৌশলী যিনি সারা জীবন শিল্পোৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে গেছেন।তাঁকে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক বলা হয়।


জীবনী



ফ্রেডরিক উইন্সলো টেইলর ১৮৫৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরে একটি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। টেইলরের পিতা ফ্র্যাংকলিন টেইলর ছিলেন একজন প্রিন্সটন শিক্ষিত আইনজীবী। টেইলরের মাতা মিলি অ্যানেট টেইলর ছিলেন একজন প্রদীপ্ত মৃত্যুদণ্ডবিলোপপন্থী এবং লুক্রেশিয়া মট এর সহকর্মীকে ছিলেন। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন টেইলর শিক্ষা জীবনে আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও চোখের সমস্যা জনিত কারণে তার পক্ষে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় নি। ফলে ১৮৭৫ সালে একটি খুদ্র নির্মাণ শিল্পে তিনি 'শিক্ষানবিশ নকশা প্রণেতা' হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ১৮৭৮ সালে তিনি 'মিডভেল ষ্টীল কোম্পানিতে' একজন যন্ত্র চালক হিসেবে যোগদান করেন। একই সঙ্গে নৈশকালীন পড়াশোনা করে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন লাভ করেন।

অসাধরন প্রতিভার অধিকারী টেইলর কার্যক্ষেত্রে স্বীয় কর্মদক্ষতা, বুদ্ধিমত্তা ও প্রজ্ঞার বলে কর্মনায়ক বা ফোরম্যান থেকে শুরু করে নানা পরে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন এবং অবশেষে তিনি ১৮৮৪ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে মিডভেল ষ্টীল কোম্পানির প্রধান প্রকৌশলীর পদ অলঙ্কৃত করেন। ফ্রেডরিক উইন্সলো টেইলর সাধারণ শিক্ষানবিশ থেকে মিডভেল ষ্টীল কোম্পানির প্রধান প্রকৌশলী পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দীর্ঘ দু'যুগ ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। এ কোম্পানিতে কাজ করার সময় তার কাছে শিল্প প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের সমস্যা ধরা পড়ে।



বিশেষ করে শ্রমিকরা তাদের উৎপাদন ক্ষমতার তুলনায় সামান্যই উৎপাদন করে বলে তার নিকট প্রতিয়মান হয়। তিনি এ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার পর তা সমধানের পন্থা কী হতে পারে এ নিয়ে দীর্ঘ দু'দশক বিভিন্ন গবেষণাকর্ম পরিচালনা করেন। তিনি বৈজ্ঞানিক উপায়ে তথ্য অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করে করগুলো রীতি-নীতি ও তত্ত্ব উদ্ভাবন করে শিল্প ক্ষেত্রে বা কল-কারখানায় প্রয়োগ করেন। এভাবেই তিনি তার গবেষণা কর্মের ফলাফলে একটি স্বতন্ত্র দর্শনে পরিণত করেন, যা বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা (Scientific Management) নামে পরিচিত লাভ করে। ১৮৯০ সালে তিনি মিডভেল ষ্টীল কোম্পানি থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং ১৮৯৮ সালে বেথেলহেম ষ্টীল কোম্পানিতে যোগদান করেন। তাছাড়া টেইলর ১৯০০ সাল পর্যন্ত কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ১৯০১ সালে ৪৫ বছর বয়সে তিনি চাকরি থেকে অবসর নেন এবং জীবনের বাকি সময়টা বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা তত্ত্বের উদ্ভাবনসহ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধারণার উন্নয়নে পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করেন। টেইলর ১৯০৬ সাল থেকে ১৯০৭ সাল পর্যন্ত 'American Society of Mechanical Engineers' -এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯১৫ সালে কীর্তিমান ব্যবস্থাপনা


বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতিমালা উপস্থাপন


ব্যবস্থাপনার গতানুগতিক পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সকল দিকে দক্ষতা অর্জন করাই হলো বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা। ১৯১২ সালে টেইলর এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, 'শীঘ্রই অথবা অদূর ভবিষ্যতে গতানুগতিক পদ্ধতির স্থলে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও পদ্ধতির ব্যবহার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।' ব্যবস্থাপনায় এফ. ডব্লিউ. টেইলর ১৯১১ সালে তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'Principles of Scientific Management' -এ বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার কতিপয় নীতি বা আদর্শ তুলে ধরেন,যা নিম্নরূপ-

১. গতানুগতিক হাতুড়ে পদ্ধতির পরিবর্তে প্রতিটি কাজে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ব্যবহার;

২. বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কর্মী নির্বাচন, প্রশিক্ষন দান ও তাদের উন্নয়ন;

৩. ব্যবস্থাপনা ও কর্মীদের মধ্যে সউহার্দ্য সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা;

৪. ব্যবস্থাপনা ও কর্মীদের মধ্যে ও কর্তব্যের সুষ্ঠ বণ্টন;

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতি সংবলিত এ গ্রন্থ প্রকাশের পরই আমেরিকাতে এটি ব্যাপক সাড়া জাগায়। পরবর্তীতে অধিকাংশ কারখানা ব্যবস্থাপকগণ টেইলরের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতি তাদের কারখানায় প্রয়োগ করা শুরু করেন। টেইলরের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে 'ফ্রাঙ্ক লিলিয়ান' গিলব্রেথ দম্পতি, হ্যারিন্টেন ইমারসল, হেনরি লরেন্স গ্যান্ট, কার্ল বার্থ প্রমুথ ব্যবস্থাপনা পণ্ডিতগণ তাকে সহয়তার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক মতবাদের প্রবক্তা লেনিন-সহ অনেকেই সামরিক সংগঠনে টেইলরের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।





Sunday, February 23, 2025

সাফল্য তোমার হাতে আসবে

 


আমরা প্রতিনিয়ত হতাশা থাকি।  কেউ পারিপারিক,কেউ সামাজিক, কেউ পড়াশোনা  ইত্যাদি ইত্যাদিন।হতাশা মানুষকে সাফল্যের দিকে না নিয়ে বরং ব্যর্থতার দিকে নেয়। হতাশাটা যত মনে ধরে রাখবে, সাফল্য তোমার কাছ থেকে দূরে যাবে। তাই বেশি বেশি হাঁসতে  হবে।  কারণ হাসি হতাশাটাকে নষ্ট করে ফেলে৷ তুমি যত বেশি হাসবা হতাশা তোমার কাছে আসবে না বরং সাফল্য তোমার হাতে আসবে। 

ধর তোমাকে একটা বোতল দিলাম পানি ভর্তি। মনে কর,  বোতলটা তুমি,  আর ভেতরের পানিগুলো তোমার মন।  বোতলের পানিগুলোকে  ফেলে দাও। দেখবা বোতলটা খুব সহজে হাতে নিতে পারছো।  একদম  হালকা মনে হবে বোতল। তাঁর মানে হল, তুমি  যত বেশি হতাশা কে মনে আগলে রাখবে সাফল্যের দিকে না নিয়ে বরং ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যাবে। তাই মনে হতাশা আসলে 

সাথে সাথে দূর করে ফেলবা দেখবা সাফল্য তোমার হাতে আসবে। 

কীভাবে বুঝবেন যে কেউ টক্সিক?

 

এমন কিছু আচরণ আছে,যেগুলো যদি লক্ষ্য করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার জীবনের মানুষটি আসলে আপনার জন্য কতটা ক্ষতিকারক। চলুন, টক্সিক মানুষের আচরণগুলো একটু ভালোভাবে বিশ্লেষণ করি।


১. সবকিছুতে খুঁত ধরার অভ্যাস:

টক্সিক মানুষ এমনভাবে সমালোচনা করে,যেন আপনি কিছুই জানেন না,পারেন না। আপনার ভালো কাজেও তারা ভুল খুঁজে পায়। মজার ব্যাপার হলো,এই সমালোচনা মোটেও গঠনমূলক নয়। বরং,তারা আপনাকে ছোট করার জন্যই এটা করে।


২. কথা দিয়ে আপনাকে বেঁধে ফেলে:


তারা এমনভাবে কথা বলে বা কাজ করে যে আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করেন। তারা আপনাকে দোষারোপ করে নিজের সুবিধামতো পরিস্থিতি গড়ে তোলে। সবসময় মনে হবে আপনি তাদের ইচ্ছার ক্রীড়নক হয়ে গেছেন।


৩. আপনাকে সবসময় ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা:

তারা আপনার সিদ্ধান্ত বা কাজ নিয়ে সবসময় সন্দেহ প্রকাশ করে। হয়তো আপনি নিশ্চিত ছিলেন একটা বিষয়ে,কিন্তু তাদের কথায় সেটা ভুল বলে মনে হতে শুরু করবে।


৪. তাদের সমস্যার জন্য আপনি দায়ী:

তারা সবসময় ভিকটিম। সব সমস্যার দায় তাদের না,বরং পৃথিবীর! তারা কখনো নিজের দোষ স্বীকার করবে না,বরং আপনাকেই দায়ী করবে। আপনি সবসময় অপরাধবোধে ভুগবেন।


৫. কথায় কথায় অভিযোগ:

তাদের চারপাশে সবকিছুই যেন খারাপ। সবকিছুতে তারা অভিযোগ করে। এই নেতিবাচক মানসিকতা ধীরে ধীরে আপনার জীবনেও ছাপ ফেলে।


৬. আপনার অনুভূতি নিয়ে খেলা:

তারা কখনোই আপনার সুখ বা দুঃখ নিয়ে ভাবে না। আপনার কষ্ট,আপনার সুখ-কিছুতেই তাদের কিছু যায় আসে না। এমনকি যখন তারা আপনাকে আঘাত করে,তখনও তাদের মনের কোণায় বিন্দুমাত্র মায়া জন্মায় না।


৭. আপনার ভালো দেখলে অস্বস্তি বোধ করা:

আপনার সফলতা দেখলে তারা কখনোই আনন্দিত হয় না। বরং ঈর্ষান্বিত হয়। আপনার অর্জনকে হালকা করে দেখা,ঠাট্টা করা বা আপনাকে নিচু করার চেষ্টা তারা চালিয়ে যায়।


৮. আচরণে একধরনের দ্বিচারিতা:

একদিন তারা খুব মিষ্টি,আবার পরের দিন হুট করেই দুর্ব্যবহার। এই অস্থিরতা আপনাকে সবসময় একটা মানসিক চাপের মধ্যে রাখে। আপনি বুঝতেই পারবেন না,কখন কীভাবে তাদের সঙ্গে মিশতে হবে।


৯. শুধু নেওয়ার অভ্যাস, কিছুই না দেওয়া:

টক্সিক মানুষের কাছে সম্পর্ক মানে শুধু নেওয়া। তারা আপনাকে ব্যবহার করবে,আপনাকে থেকে সুবিধা নেবে,কিন্তু বিনিময়ে কিছু দেবে না।


১০. আপনার "না"কে গুরুত্ব না দেওয়া:

তারা আপনার ব্যক্তিগত সীমানাকে রেসপেক্ট করে না। আপনার সময়,মতামত বা আরামের কোনো মূল্যই তাদের কাছে নেই।





মানুষ স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতে চায়

 


প্রত্যেক মানুষ তাঁর স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতে চায়। তাই স্বপ্ন দেখতে থাকো, একদিন না একদিন সে স্বপ্ন তোমার বাস্তবে  রুপ দিবে। 

প্রত্যেক জনগন এক একজন নেতা

 


প্রত্যেক জনগন  এক একজন নেতা। সে দিন আর বেশি দিন নেই। তাদের কোন আইন আটকাতে পারবেনা,  জনগনের মাধ্যমে এক নতুন রাষ্ট্র নায়কের সূচনা হবে।

Saturday, February 22, 2025

পৃথিবীতে কোন কিছু তুচ্ছ করনা

 পৃথিবীতে কোন কিছু তুচ্ছ করনা। হোক সেটা কোন গ্রামের কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়। তোমার চিন্তা চেতনা যদি কোন নিদিষ্ট লক্ষ্য থাক, তুমি পারবা।  তোমাকে দিয়ে হবে।   আর যদি  নামি দামি বিশ্ববিদ্যাল পড়েও যদি তোমার লক্ষ্য কে ঠিক পরিচালনা না করতে পার। তাহলে এ নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয় কোন কাজেই আসবেনা।

Friday, February 21, 2025

নেতৃত্ব কি এবং একজন নেতার কিকি গুনাবলি থাকা প্রয়োজন

 

নেতৃত্ব হলো কোন কাজ করার আদেশ, নিশেষ বা পরামর্শ বিশেষ। নেতৃত্ব সাধারণত দিক নির্দেশনা অর্থে ব্যবহৃত হয় তা নয়। নতুন নতুন বিপ্লব ঘটানোর জন্য নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নেতৃত্ব সাধারণত নেতা কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এক কথায় বলা যায় দেশ বা সমাজকে পরিচালনার জন্য এক বিশেষ পদ্ধতি হলো নেতৃত্ব।



একজন  নেতার যে সব গুণাবলী থাকা দরকার।


১।ব্যক্তিত্ব

২। দূরদর্শিতা

৩। যোগাযোগ দক্ষতা

৪। বুদ্ধি মত্তা।

৫। ঝুঁকি গ্রহনের ক্ষমতা


Monday, February 17, 2025

প্রবন্ধ: উকিল বাড়ি নামে খ্যাত নরসিংদী লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি

 

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাংগা নামক এলাকায় অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। যা স্থানীয়দের কাছে উকিল বাড়ি নামে বেশ পরিচিত।


ইতিহাস : 


জমিদার লক্ষণ সাহা এই জমিদার বংশের মূল গোড়াপত্তনকারী। তবে কবে নাগাদ এই জমিদার বংশ এবং জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। এই জমিদার বংশধররা অন্য জমিদারের আওতাভুক্ত ছোট জমিদার ছিলেন। তবে তাদের কখনো তারা যে জমিদারের আওতাভুক্ত ছিলেন তাদেরকে বা ব্রিটিশ সরকারকে খাজনা দিতে হয়নি। কারণ এই জমিদারী এলাকাটি ভারত উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র এলাকা ওয়াকফ হিসেবে ছিল। লক্ষণ সাহার তিন পুত্র সন্তান ছিল। এদের মধ্যে ছোট ছেলে ভারত ভাগের সময় ভারতে চলে যান। এরপর পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অল্প কিছুদিন আগে বড় ছেলেও ভারতে চলে যান। থেকে যান মেঝো ছেলে। তার ছিল এক পুত্র সন্তান। যার নাম ছিল বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা। এই বৌদ্ধ নারায়ণ সাহাই পরবর্তীতে আহম্মদ আলী উকিলের কাছে উক্ত বাড়িটি বিক্রি করে দেন। তাই আহম্মদ আলী সাহেব পেশায় একজন উকিল হওয়াতে বর্তমানে অনেকে এই বাড়িটিকে উকিল বাড়ি নামেও চিনে।


অবকাঠামো


লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়িটি দ্বিতল বিশিষ্ট্য একটি ভবন। ভবনের মেছেতে কষ্টি পাথর দিয়ে ঢালাই করা। ছোট্ট একটি কারুকার্য খচিত দালান, বাগানবাড়ি, সাঁন বাঁধানো পুকুর ঘাট, পূজো করার জন্য পুকুরের চারপাশে তিনটি মঠ বা মন্দির ছিল।



বর্তমান অবস্থা


জমিদার বাড়ির সবগুলো স্থাপনা মোটামুটি বেশ ভালো অবস্থাই আছে। শুধু পুকুরের চারপাশের মঠ বা মন্দিরগুলোর ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে একটি এখনো পুকুর ঘাটের কাছে মোটামুটিভাবে টিকে আছে।




Saturday, February 15, 2025

মন থেকে ভালো না বাসলে ফল ভালো হয়না

 

পৃথিবীতে কোন কিছু যদি মন থেকে ভালোনা বাসো। তবে সে জিনিস কে কখনো ভাল ফল দিতে পারবানা। যতক্ষন না পর্যন্ত তুমি সেটার গভীরে প্রবেশ না করবে। গভীর ভাবে না ভাববে। হতে পারে সেটা চিত্রকলা, হতে পারে গান,  হতে পারে সাহিত্য ইত্যাদি, ইত্যাদি।  তাই যেকোন জিনিস করার আগে মন থেকে ভালবাসো সৃষ্টিকর্মকে ।  তাহলে তোমার ঐ সৃষ্টিকর্মে তোমাকে সবার মাঝে নিয়ে আসবে।

প্রবন্ধ: চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী অবস্থিত সত্য সাহার জমিদার বাড়ি

 


সত্য সাহার জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার নন্দীরহাট গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়িতে জন্ম নেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সত্য সাহা।


ইতিহাস: 


১৮৯০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় পাঁচ একর জায়গার উপর নির্মিত হয় এই জমিদার বাড়িটি। বাড়িটি নির্মাণ করেন জমিদার লক্ষ্মীচরণ সাহা। তবে জমিদার চালুর পিছনে মূলত তিনজন রয়েছেন। তারা হলেন শ্রী লক্ষ্মীচরণ সাহা, মাদল সাহা ও নিশিকান্ত সাহা। এই জমিদার বাড়ির শেষ জমিদার ছিলেন জমিদার লক্ষ্মীচরণ সাহার বড় ছেলে প্রসন্ন সাহা। এই জমিদার বাড়িতেই ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক একুশে এবং স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সত্য সাহা। এই জমিদার বাড়িতে সিনেমার স্যুটিং করা হয়েছিল। 



জমিদার বাড়ির অবকাঠামো:


বাড়িটিতে নানা কারুকাজখচিত দুইটি বাস ভবন, একটি দ্বিতল বিশিষ্ট কাচারি ঘর, একটি মন্দির, তিনটি পুকুরসহ ফসলি জমি ও গাছগাছালির বাগান রয়েছে।


বর্তমান অবস্থা:

ঐতিহাসিক জমিদার বাড়িটি তত্ত্বাবধানের অভাবে এখন প্রায় ধ্বংসের মুখে।


যোগাযোগ ব্যবস্থা: 


চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সংযোগ সড়ক থেকে নন্দীরহাট নেমে, রাস্তার পশ্চিমে ১ কিলোমিটার পরে সত্য সাহার বাড়ি।।




Wednesday, February 12, 2025

প্রবন্ধ: ১৯শ শতকে নির্মিত রেনেসাধর্মী স্থাপত্যকৌশলের অন্যতম নিদর্শন বালিয়াটি প্রাসাদ

 



বালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মানিকগঞ্জ জেলার সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। একে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা বালিয়াটি প্রাসাদ বলেও ডাকা হয়।


মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা প্রাসাদটির সবগুলো ভবন একসাথে স্থাপিত হয় নি। এই প্রাসাদের অন্তর্গত বিভিন্ন ভবন জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।


ইতিহাস: 



গোবিন্দ রাম সাহা” বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন। জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরীলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে। এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।


স্থাপত্য



বালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশে ১৯শ শতকে নির্মিত রেনেসাধর্মী স্থাপত্যকৌশলের অন্যতম নিদর্শন। এই বিশাল প্রাসাদটি ২০ একরের চেয়ে বেশি স্থান জুড়ে অবস্থিত। আসলে এই প্রাসাদটি একই রকম দেখতে কিন্তু পাচটি স্বতন্ত্র ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত যার সর্ব পূর্বদিকের একটি ব্লক ব্যতীত বাকি চারটি ব্লক এখনো বিদ্যমান। বর্তমানে চারটি ব্লক আছে যার মধ্যে মাঝের দুইটি ব্লক, যার একটি দ্বীতল বিশিষ্ট এবং আরেকটি টানা বারান্দা বিশিষ্ট যা তিনতল বিশিষ্ট।

এই প্রাসাদের চারটি ব্লকের পিছন অংশে চারটি আলাদা আভ্যন্তরিণ ভবন বা অন্দর্মহল আছে। উত্তরদিকে কিছুদূরে অবস্থিত পরিত্যক্ত ভবনটি হল বহির্মহল যা কাঠের কারুকার্য সম্পন্ন। এই ভবনে প্রাসাদের চাকর বাকর, গাড়ি রাখার গ্যারেজ, ঘোড়াশাল ছিল বলে ধারণা করা হয়। এই বিশাল প্রাসাদটির চারপাশ সুউচ্চ দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই প্রাসাদের তিনটি প্রবেশপথ আছে। যার প্রত্যেকটিতে অর্ধবৃত্তাকার খিলান আকৃতির সিংহ খোদাই করা তৌরণ বিদ্যমান।

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি উনিশ শতকে বাংলাদেশে নির্মিত প্রাসাদসমূহের মধ্যে অন্যতম। এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা। যিনি একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন। জমিদার বাড়িটিতে অনেকগুলো স্থাপনা রয়েছে যেগুলো পাচঁটি পৃথক ভাগে বিভক্ত। সর্বমোট আটটি সুবিশাল দ্বিতল ও ত্রিতল স্থাপনা রয়েছে। স্থাপনাগুলো ঘিরে রয়েছে প্রাচীর। প্রাসাদটির দক্ষিণ দিকে প্রবেশদ্বার হিসেবে চারটি সিংহদুয়ার রয়েছে এবং উত্তরে বিশাল আকৃতির পুকুর রয়েছে। দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ সম্মুখভাগের ইমারতগুলোতে কোরিনথিয় স্তম্ভের সারি রয়েছে। এছাড়াও স্থাপনাগুলোতে দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য লক্ষ করা যায়। জমিদার বাড়ির ভেতরে রং মহল নামে খ্যাত ভবনে বর্তমানে জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।




Sunday, February 9, 2025

কবিতা: তোমার অনুভূতি সাথে




এ শুনো।

  হ্যা, তোমাকে বলছি।

তুমি কি জানো?

তুমি যখন হাসো 

তখন আমি অপলক দৃষ্টিতে 

 তোমার দিকে তাকিয়ে থাকি।

তুমি যখন মন খারাপে থাকো 

তখন পৃথিবীর সকল ঝড় 

 আমার উপর দিয়ে যায়, 

আর তোমার সে হাসিমুখটা 

আবার ফিরিয়ে আনার জন্য, 

আমার সমস্ত সুখকে 

উজাড় করে দিয়ে, 

তোমার মুখে একটু 

হাসি ফুটানোর জন্য।

যখন আমি থাকবোনা, 

তখন তুমি কাদবে, 

ভেবোনা তুমি একা। 

আমি মিশে যাবো 

 তোমার অনুভূতি সাথে।


কবিতা : তুমি আসবে বলে

 



খুজে চলেছি আমি 

তোমারী পথ চেয়ে 

চলতে চলতে 

আজ আমি ক্লান্ত,

আমার নেই কোন রাগ, 

 নেই কোন অভিমান 

শুধুই আক্ষেপ, 

বুঝলেনা আজো আমায় 

ভালোবাসলে না তুমি 

চলে গেছে আমায় পেলে

অন্য কোন পথে 

তুবুও আছি তোমারী অপেক্ষা 

তুমি আসবে বলে।

Saturday, February 8, 2025

কবিতা : মায়াবী

 


বহু পথ ধরে হাটিতেছি আমি 

 কোন এক মায়াবীর খুজে, 

জানি না সে কোথায়? 

কোন ভূবনে থাকে, 

তবুও হাটিতেছি আমি 

 তারই অন্বেষণে, 

জানি না কখন অবসান হবে 

 এই নির্গমন, 

কখন পাবো তার দেখা।

সে অপেক্ষায়, 

 দ্বার চেয়ে আছি।





প্রবন্ধ: প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

 

 বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার অন্তর্গত দাগনভূঞা উপজেলার এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি।

 

ইতিহাস

 

প্রায় ১৭৬০ সালে এই জমিদার বাড়িটি নির্মিত হয়। এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিন কড়ি সাহার দুই পুত্র রাম সুন্দর সাহা ও রামচন্দ্র সাহা। স্থানীয়দের কাছে এটি প্রতাপপুর বড় বাড়ি বা রাজবাড়ি হিসেবেও পরিচিত। এই এলাকার আশেপাশে যত জমিদার ছিল সবার শীর্ষে ছিল এই জমিদার। এই জমিদার বংশধররা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও ২০০২ সাল পর্যন্ত এই জমিদার বাড়িটিতে ছিল। জমিদার বাড়ির বংশধরদের কিছু এখনো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কিছু ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যে আছেন। জমিদার বাড়ির সম্পত্তি এখনো জমিদার বাড়ির বংশধরদের মালিকানাধীন। জমিগুলো এলাকার মানুষের কাছে বর্গা দিয়ে রাখা হয়েছে। জমিদার বাড়ির বংশধররা এখানে বছরের মধ্যে দুইবার আসেন এবং বর্গার টাকা নিয়ে যান।

 

জমিদার বাড়ির অবকাঠামো

 

প্রায় ১৩ একর জায়গা জুড়ে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। বাড়িটিতে ১০টি ভবন ও ১৩টি পুকুর রয়েছে। এরমধ্যে ৫টি পুকুর পাকা ঘাট বাঁধানো।

 

বর্তমান অবস্থা

 

বাড়িটি সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়নে না থাকায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। চারিদিক লতাপাতায় ঢেকে গেছে। ভবনগুলোও ধসে পড়ছে।

কবিতা : অনুরাগের ছোয়া

 

অনেক সহস্রপথ অতিক্রম করে

 পেয়েছি তোমারী আলিঙ্গন 

দেখেনি তোমার রুপ খানি 

 শুধু হয় কথা, 

তারপর ও কি যেন 

মায়া তুমি আমায় 

করেছো আপন, 

তোমার অভিমান 

 সহজ সরল মন

 আমার হৃদয়  জুড়ে নিয়েছে 

ভালোবাসা নতুন আবির্ভাব, 

শক্ত করে ধরে রেখো  আমায় 

কথা দিলাম আমি 

 আছি তোমারী 

 তোমারী হয়ে থাকবো।


Friday, February 7, 2025

গল্প : তুমি

 




আজ সোমবার। শান্ত বিকেল।জনমুখর মানুষের ব্যস্ততা।হঠাৎ পিছন দিক   থেকে একটা শব্দ  আমার কানে এসে পৌছল। পিছনে তাকিয়ে দেখি হাসিমুখ ভরা একটা ছেলে আসছে আমার দিকে।কেমন আছেন সেজান ভাই? ভাল,  তুমি কেমন আছ। হ্যা আমি ভাল। কোথায় যেন পড় তুমি? ভাইয়া আমি ঢাবি বাংলা বিভাগের ১ম বর্ষে। তুমি আবির না। হ্যা ভাইয়া। চল চা খেতে খেতে কথা বলি।তোমার পড়াশুনা কেমন চলছে। জি ভাইয়া ভাল। শুধুই ভাল হলে হবেনা। ফাস্ট ক্লাশ ফাস্ট হতে হবে। ভাইয়া আপনার নতুন বইটা কবে বের হবে। এইতো  অল্প কয়েক দিন আছে এরপর তোমারা বাজারে পাবে। আচ্ছা আবির আমি উঠি। কাল দেখা হবে। জি ভাইয়া, আসসালামু আলাইকুম। বিকালটা আজ সুন্দর। হিমসিম বাতাসে সমস্ত শরীর আমার ছুয়ে গেল। জানি না আজ দেখা হবে কিনা।  আজ দেখা হলে তার সাথে পরিচয় করে নিব।অবাক কান্ড, বলতে না বলতে মেয়েটা হাজির।আজকে  সময় সব বলে দেবার। মনের ভেতরটা কেমন ভয়  ভয় কাজ করছে।হায় কেমন আছ? জি ভাল। আপনি কেমন আছেন? হ্যা আমি ভাল। তোমার নাম কি জানতে পারি? হ্যা কেন নয়। আপনার মত লোকের সাথে কথা বলাতো আমার সৌভাগ্য। "আমি অধরা" ঢাবি নাট্যকলার ২য় বর্ষে পড়ি। আমি সেজান।বলা লাগবেনা,  আমিতো আপনাকে চিনি।আপনি ঢাবি বিবিএ ফাইনাল ইয়ারে ব্যবস্হাপনা বিভাগে পড়েন। খুব মেধাবী ছাএ ও সুনামধণ্য লেখক।তুমিতো দেখি আমার সম্পর্কে অনেক কিছু জান।  তোমার নম্বরটা নিতে পারি?  হ্যা কেন নয়। আমি এ বাসায় থাকি। অনেক সুন্দর বাসা ঠিক তোমার মত। সেজান ভাই আপনি কিন্তু একটু বেশি বলছেন ।  সত্যিই বলছি। আচ্ছা এখন আমি যাই,  রাতে কল দিব। বাসায় চলেন।  আম্মু আব্বু আপনাকে দেখে অনেক খুশি হবে। আজ না আরেক দিন। হ্যালো অধরা " কেমন আছ? আমি ভাল।আপনি কেমন আছেন? আমি ও ভাল।  আচ্ছা তোমাকে একটা প্রশ্ন করি? হ্য করেন? তোমার কি লাভার আছে"। আছে। হঠাৎ এ প্রশ্ন কেন? এমনি বললাম। আচ্ছা তুমি যদি না চাও তাহলে বলা লাগবেনা।না আমার লাভার নাই। তবে মনে হয় পেয়ে গেছি। কে সে? তার চোখের দিকের তাকালে আমি আমার সব কষ্ট ভূলে যাই। তাকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকার সম্ভব নয়। নাম কি তার? কোথায় পড়ে? দেখতে কেমন?  সে অনেক ভাল একটা মানুষ। ও তাইনা। আমার মনে হয় আপনে খুশি হতে পারেননাই।  খুশি হবার আর কিছু আছে? তুমিতো একজনকে মনপ্রান দিয়ে ভালবাসো।আমি কি তোমাকে ফিরিয়ে আনতে পারবো। আসলে তোমাকে সত্যি কথা বলি। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি, অনেক আগ থেকে। তোমাকে দেখার জন্য আমার হৃদয় ব্যাকুল হয়েথাকে। কিন্তু এখন বলে আর কি হবে। সবতো শেষ আমার। আমি যাকে ভালবাসি তার নাম শুনবেন না। না শুনতে চাইলেও আমি বলবো। আমি যাকে ভালোবাসি সে মহান পুরুষ আমার প্রতিটি নি:শ্বাসে মিশে আছে। সে হল " তুমি "। কি বললা আবার বল, লাভ ইউ সেজান। জানি তুমি আমাকে অনেক ভালবাসো আর সেটা বুঝার জন্য এ নাটক করলাম। যাতে তুমি আমাকে বল। আরেকবার বল। আমি তোমাকে ভালবাসি এবং ভালোবাসা  সারা জীবন ধরে।

দুনিয়া জীবন ক্ষনস্থায়ী



 আমরা প্রতিনিয়ত দুনিয়াতে অনেক বড় হবার জন্য দৌড়তেছি।  একের পর এক ডির্গী নিবার জন্য এক দেশ

থেকে অন্য দেশ দৌড়তেছি।  ভালো ইংরেজি সবাই প্রায়

বলতে পারে।  কিন্তুু কুরআন শরীফ কি আমরা তেলোয়াত করতে পারি। দুনিয়ার জীবন ক্ষনস্থায়ী। 

সবাইকে চলে যেতে হবে। এ স্বল্প সময়ে আল্লাহ জন্য কাজ করি।  অনেকে আছে দুনিয়ার সে অনেক কিছু সে অর্জন  করেছে ইংরেজী ভালো। অন্যদিকে অন্য আরেক তেমন ভালো ইংরেজি বলার চেষ্টা করে। কিন্তুু সে আবার মধুর কন্ঠে কুরআন তেলোওয়াত  করতে পারে।  তুমি হতো সেটা পারো না।। কারন মধুর কন্ঠে যে আল্লাহ কুরআন তেলোয়াত করতে পারে আল্লাহ তাঁর বন্ধু হয়ে যায়।   যদি মনে করেন, আরে আমি

কত শিক্ষিত সে ভালো আমার থেকে ইংরেজী বলতে পারে না। তাহলে শুনো তাঁর জন্য সৃষ্টিকর্তার  প্রার্থনা 

খোলা রয়েছে। তাই সমাজে প্রত্যকে দ্বীন ইসলাম দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

Thursday, February 6, 2025

তুমি যদি সাফল্য অর্জন করতে চাও

 পৃথিবীতে তুমি যদি অনেক সাফল্য অর্জন করতে চাও।তাহলে তোমাকে  তিন টি জিনিস সঠিকভাবে পালন করতে হবে। প্রথমত তোমার সৃষ্টিকর্তাকে খুব ভালোবাসতে হবে,কারন যার সৃষ্টির মাধ্যমে তোমাকে পৃথিবীতে প্রেরন করেছে। দ্বিতীয়ত তোমার মা বাবা, যারা  তোমাকে অনেক আদর ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছে এবং তৃতীয়ত  তোমার ক্যারিয়ার,  যার মাধ্যমে তোমাকে বুঝতে সাহায্য করে কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ। আমার বিশ্বাস এ তিনটা জিনিস যদি তোমরা সঠিকভাবে পালন কর।তাহলে তোমরাই সে উজ্জ্বল সাফল্যের শিকড়ে পৌছতে পারবে। এবং জয় তোমাদেরই হবে।

ধৈর্য্য জীবনে বড় একটা গুন

 ধৈর্য্য  জীবনের সবচেয়ে  বড় একটা গুন।  ধৈর্য্য না থাকলে জীবনে সকল  কাজের সফলতা অর্জন করতে পারবানা। ধর,  রাস্তায় তুমি চলছো।  পথ চলার সময় পিছন থেকে এক লোক ধাক্কা দিলো।তখন তুমি রাগ না হয়ে, বরং তাকে হাসি দিয়ে ব্যাপারটা শেষ করবা।   এই ভাবে যদি তোমার জীবন চলার পথ শুরু কর।তাহলে আমার বিশ্বাস, বিশ্বকে তুমি জয় করবা,  তোমার ধৈর্য্য গুন দিয়ে।

নদীর পাড়ে

নদীর পাড়ে বসে আজ, চুপচাপ দেখি স্রোতের খেলা, হৃদয়ের মাঝে জমে থাকা কথা, বয়ে যায় যেন সময়ের ভেলা। হাওয়ার ছোঁয়ায় দোলে মন, প্রকৃতি গায় নীরব গান, জ...