এরশাদবিরোধী শহীদ মোজাম্মেল দেশকে দিয়েছেন গণতন্ত্র। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে (চবি) দিয়েছেন ‘শহীদ মোজাম্মেল মিলনায়তন’। কিন্তু আশির দশকে বন্ধ হওয়া এই সাংস্কৃতিক মিলনায়তনটি গেল কয়েক দিন আগেও বন্ধ ছিল এটি ভূতের বাড়ি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল । ফলে সংস্কৃতিবিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।৫০০ ফুট লম্বা গ্যালারির প্ল্যাটফর্ম এবং ২০০ ফুট লম্বা মূল মঞ্চ স্যাঁতসেঁতে। শব্দ নিরোধক ব্যবস্থার কোন অস্তিত্ব নেই। দরজা-জানালার কাঁচ উধাও। পলেস্তারা খসে পড়েছে। ভাঙ্গা দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেই কয়েকটি পেঁচা এদিক-ওদিক ওড়াউড়ি করছে। ১৯৭৮ সালে নির্মিত হয় মিলনায়তনটি। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ছাত্র মোজাম্মেলের নামে এটির নামকরণ করা হয় ‘মোজাম্মেল মিলনায়তন’। প্রায় ১ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মিলনায়তনটি ১৯৯০ সালের পর আর সংস্কার করা হয়নি। চবি প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা গেছে, মিলনায়তনটি সংস্কারের লক্ষ্যে কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু সংস্কার আর হয়নি। বিগত বছরগুলোতে ফাইল চালাচালি ও নানা কমিটি-উপকমিটি গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল এর সংস্কার কার্যক্রম। মিলনায়তনকে উপযোগী করতে ২০০৩ সালে ৬৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। সেটিও আলোর মুখ দেখেনি। সর্বশেষ ২০০৯ সালে অধ্যাপক মোস্তাইন বিল্লাহকে আহ্বায়ক করে নতুন কমিটি গঠন করা হলেও কার্যকর কিছু হয়নি। অফসোস করে নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানালেন, আমরা এই মিলনায়তন সম্পর্কে শুনেছি। এত বড় হল দেখে আমাদের ভাল লাগে। নাটকের জন্য খুবই উপযুক্ত স্থান বলে মনে হয়। কিন্তু এটা অকেজো। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় মিলনায়তন না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড। এতে সংস্কৃতিবিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। মিলনায়তন না থাকার কারণে অনুষদের মিলনায়তনেই করতে হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দুঃখের বিষয়, পরবর্তীতে প্রশাসন এটি চালু না করায় চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড
আশির দশকের সমাজতত্ত্বের ছাত্র শিশির দত্ত বলেন, ওই দশকের মাঝামাঝি সময় এটা বন্ধ করে দেয়া হয়। বন্ধ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথমত একটা যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল।সাংস্কৃতিক কোন কর্মকা- করার সুযোগ ছিল না। যার ফলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিকভাবে বন্ধ্যা সময়ের সূচনা হয়েছে।জুলাই বিল্পব পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিয়েছে নতুন প্রশাসন।
নানামুখী সংস্কার কাজের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ও স্থাপনা রক্ষায় মূখ্যম ভুমিকা পালন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য প্রশাসন প্রফেসর ডক্টর Md. Kamal Uddin স্যার ওনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিত্যক্ত ভূতের বাড়ি খ্যাত শহীদ মোজাম্মেল মিলনায়ত আলোর মুখ দেখলো!সকলের প্রত্যশা আপনার হাতধরে বধলে যাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
@followers
ReplyDelete@highlight
ReplyDelete